![]()
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump তাইওয়ানকে চীনের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার বিষয়ে সতর্ক করার পরও Taiwan জোর দিয়ে বলেছে, তারা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র।
বেইজিংয়ে দুই দিনের সম্মেলনের পর ট্রাম্প বলেন, তাইওয়ান ইস্যুতে তিনি “কোনো পক্ষেই প্রতিশ্রুতি দেননি”। একই সঙ্গে তিনি জানান, তাইওয়ানের কাছে ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব অনুমোদন করবেন কি না, সে সিদ্ধান্তও শিগগিরই নেওয়া হবে।
চীন দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমেও দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি দিয়ে থাকে। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র একদিকে তাইওয়ানের আত্মরক্ষার সক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করছে, অন্যদিকে বেইজিংয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্যও ধরে রাখার চেষ্টা করছে।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট Lai Ching-te এর আগেই বলেছিলেন, নতুন করে স্বাধীনতা ঘোষণার প্রয়োজন নেই, কারণ তাইওয়ান নিজেদের আগেই একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করে।
শনিবার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র Karen Kuo বলেন, “তাইওয়ান যে একটি সার্বভৌম, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।” তবে তিনি এটিও স্পষ্ট করেন যে তাইওয়ান বর্তমান “স্ট্যাটাস কো” বজায় রাখতে চায়—অর্থাৎ তারা চীনের সঙ্গে একীভূতও হবে না, আবার আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতাও ঘোষণা করবে না।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প পুনর্ব্যক্ত করেন যে, তাইওয়ান নিয়ে মার্কিন নীতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। তিনি বলেন, “আমি চাই না কেউ স্বাধীন হওয়ার চেষ্টা করুক,” এবং তিনি চীনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়াতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন।
Xi Jinping-এর সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, তাইওয়ান প্রশ্নে চীনা প্রেসিডেন্টের অবস্থান “খুবই কঠোর” এবং তিনি স্বাধীনতার পক্ষে কোনো আন্দোলন দেখতে চান না।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে China তাইওয়ানের চারপাশে সামরিক মহড়া বাড়িয়েছে, যা অঞ্চলটিতে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করেছে। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাইওয়ানের নিরাপত্তা সহযোগিতা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “প্রথম মেয়াদ থেকেই তাইওয়ানের নিরাপত্তা প্রশ্নে ধারাবাহিক সমর্থন দেওয়ায় আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে কৃতজ্ঞ।”